এশিয়া কাপের আগে শুধু ছক্কা মারার ট্রেনিং নিচ্ছে বাংলাদেশিরা!

বিশেষ অনুশীলন কারন, সাধারণ উইকেটে অনুশীলন করেননি মুশফিক।অনুশীলন চলেছে বিশেষ এক স্ল্যাবের উপর একদিন আগেই বাংলাদেশ দলের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ নিয়ে অনেক কথা বলেছেন গনমাধ্যমের সামনে।

ক্রিকেটারদের ঠিক কেমন ধরনে খেলা উচিত সেটি স্পষ্টই করেছেন খালেদ মাহমুদ। এশিয়া কাপের শুরু হতে বাকি আছে মাত্র সপ্তাহখানেক। ওপেনিংয়ে চমকের পাশাপাশি নতুন ঘরানার ব্যাটিং করতে চাই অনুশীলন।

কিন্তু এরমধ্যে বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে আলাদা কাজ করবার সময় খুবই কম। এর মধ্যে প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো আছেন বিদেশ। সুতরাং ব্যাটসম্যানদের নিয়ে আলাদা কাজ করার মত কোন কোচকে পাওয়া যায়নি ১৫ আগস্ট পর্যন্ত।

তবে ১৬ আগস্ট মিরপুর শের ই বাংলা স্টেডিয়ামে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। ব্যাটিং পরামর্শক জেমি সিডন্স অনেকসময় নিয়ে কাজ করেছেন মুশফিকুর রহিম এবং অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে নিয়ে।

তবে সাধারণ কোন উইকেটে না, মুশফিককে নিয়ে জেমি সিডন্সকে কাজ করতে দেখা গেছে গ্রানাইটের স্ল্যাবে। সাধারণত বাউন্সি এবং দ্রুতগতির উইকেটে ম্যাচ খেলার আগে এই ধরনের উইকেটে প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন ক্রিকেটাররা।

আরব আমিরাতে এশিয়া কাপের উইকেটগুলোও কিছুটা পেস সহায়ক এবং দ্রুতগতির হবে। ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় শট খেলার সব সুযোগই থাকবে সেখানে। কোচ জেমি সিডন্সকে দেখা গেলো গ্রানাইটের স্ল্যাবে বড় শট খেলার টেকনিকগুলো দেখিয়ে দিতে।

মুশফিকও শুরুতে তেমন স্বস্তিতে ব্যাট না করলেও সময়ের সাথে সাথে দারুন শট খেলছিলেন। বড় বড় স্লগে হাততালি আদায় করে নিয়েছেন সিডন্সের। একইরকম অনুশীলন করেছেন সাকিবও৷

লেগ সাইডে ছক্কা মারবার ক্ষেত্রে পায়ের অবস্থানকে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে ফুটওয়ার্ক নিয়ে বেশ সিরিয়াস মনে হয়েছে অনুশীলনের সময়। তবে অনুশীলনে সবথেকে বেশি চোখে পরেছে মুশফিকের মারকাটারি ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ।

মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে জেমি সিডন্স কাজ করেছেন দীর্ঘ সময় নিয়েই। বাংলাদেশ দলের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ২৮ আগস্ট, আফগানিস্তানের বিপক্ষে। দেশ ছাড়বার পূর্বে বাংলাদেশ ২০ ও ২২ আগস্ট দুইটি প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.